Reliable methods for pregnancy

20 May, 2016  

Share:  

Xqdfssj

গর্ভধারণের নির্ভরযোগ্য উপায় সমূহ

ডিম্বস্ফোটন (ovulation) কিঃ
ডিম্বস্ফোটন (ovulation) হচ্ছে মেয়েদের মাসিক চক্রের (women's cycle) একটা সময় যখন ডিম্বাণু, ডিম্বাশয় থেকে (ovaries) নিঃসৃত হয়ে গর্ভনালীতে (fallopian tube) যায়।

গর্ভধারনের (pregnancy) জন্য ডিম্বস্ফোটন (ovulation) এর সময় অবশ্যই শুক্রাণুর উপস্থিতি থাকতে হবে। সুতরাং গর্ভধারণের জন্য দৈহিক মিলন ডিম্বস্ফোটনের (ovulation) সময় বা আগে করতে হবে।

কিভাবে বুঝবেন আপনার ডিম্বস্ফোটনের (ovulation) সময়?
অনেক ভাবে একজন মেয়ে বুঝতে পারে কখন তার ডিম্বস্ফোটনের (ovulation) সময়। যদিও সঠিকতা এবং পদ্ধতির নির্ভরযোগ্যতা তারতম্য হয়ে থাকে।

মৌলিক শরীরের তাপমাত্রা (basal body temperature) অনেক জনপ্রিয় একটি পদ্ধতি। এই পদ্ধতিতে একটি মেয়ে তার মৌলিক শরীরের তাপমাত্রার (basal body temperature) একটা তালিকা তৈরি করবে এবং এর পরিবর্তনের দিকে লক্ষ্য রাখবে। পরিবর্তন লক্ষ্য করলে বুঝতে হবে সেটা তার ডিম্বস্ফোটনের (ovulation) সময়। ডিম্বস্ফোটনের (ovulation) সময় মৌলিক শরীরের তাপমাত্রার (basal body temperature) বৃদ্ধি পেয়ে থাকে। এই পদ্ধতি অনেক সময় ভুল তথ্যও দিতে পারে।

সাম্প্রতিক কালে urine ovulation predictor kits নামে এক ধরনের কিট বাজারে এসেছে যা দিয়ে শরীরের কিছু হরমনের মাত্রা পরীক্ষা করা হয় যা ডিম্বস্ফোটনের (ovulation) সময় বেড়ে যায়।এই পদ্ধতি খুবই নির্ভরযোগ্য বিশেষ করে তাদের জন্য যাদের চক্র (cycle) নির্দিষ্ট নয়।

মেয়েদের মাসিক চক্র নির্ণয় করা হয় মাসিকের প্রথম দিন থেকে শুরু করে পরবর্তী মাসিকের প্রথম দিন পর্যন্ত। গড়ে মহিলাদের মাসিক চক্র ২৮-৩২ দিনের হয়ে থাকে, তবে কিছু মহিলাদের তা কম বেশি হতে পারে।

ডিম্বস্ফোটন (ovulation) নির্ণয় করা হয় শেষ মাসিকের প্রথম দিন থেকে (first day of the last menstrual period (LMP)। অধিকাংশ মহিলাদের শেষ মাসিকের প্রথম দিন থেকে (first day of the last menstrual period (LMP) ১১ থেকে ২১ তম দিনের মধ্যে ডিম্বস্ফোটন হয়ে থাকে।অথবা পরবর্তী মাসিকের ১২-১৬ দিন আগে ডিম্বস্ফোটন হয়ে থাকে।

এই সময়টাকে মাসিক চক্রের বিপদজনক সময় danger period বলা হয়।কারন এই সময় দৈহিক মিলন হলে গর্ভধারণের সুযোগ অনেকাংশে বেড়ে যাবে। ডিম্বস্ফোটন একেক মাসে একেক সময় হতে পারে। তাই ডিম্বস্ফোটনের সম নির্ণয় করা খুবই জরুরি।

ডিম্বস্ফোটনের (ovulation) কিছু জরুরি তথ্যঃ
  • ডিম্বাণু নিঃসরণের পর ১২-২৪ ঘণ্টা বেচে থাকতে পারে।সুতরাং ডিম্বাণু নিঃসরণের ১২-২৪ ঘণ্টার মধ্যে কোন শুক্রাণুর উপস্থিতি না থাকলে গর্ভধারণের কোন সুযোগ নেই।
  • প্রতিবার মাত্র একটি ডিম্বাণু ডিম্বাশয় থেকে নিঃসরণ হয়।
  • মানুষিক চাপ,অসুস্থতা অথবা বেপরোয়া জীবন যাপন পদ্ধতি ডিম্বস্ফোটন (ovulation) প্রক্রিয়াকে প্রভাবান্বিত করতে পারে।
  • কিছু মহিলরা ডিম্বস্ফোটন (ovulation) সময় হালকা রক্তের স্পট দেখে থাকতে পারেন।
  • ডিম্বস্ফোটনের (ovulation) ৬-১২ ঘণ্টা পর গর্ভধারণ প্রক্রিয়া, শুক্রাণুর সহিত ডিম্বাণুর মিলন সাধারণত হয়ে থাকে।
  • প্রত্যেক মহিলারা কয়েক লক্ষ অপরিপক্ক ডিম্বাশয় নিয়ে জন্মায়।প্রতিবার ডিম্বস্ফোটনের সময় একটি করে ডিম্বাশয় নির্গমন হয়।
  • মাসিক না হলেও যেমন ডিম্বস্ফোটন হতে পারে তেমনি ডিম্বস্ফোটন না হলেও মাসিক হতে পারে।
  • কিছু মহিলাদের ডিম্বস্ফোটনের সময় হালকা পেটে ব্যথা হতে পারে।যাকে জার্মান ভাষায় middle pain বলা হয়ে থাকে।
  • ডিম্বাশয় গর্ভধারণ না করলে তা জরায়ুর আবরণের সাথে শোষিত হয়ে যায়।

Share:  


© www.ousud.com, All rights reserved.