Nocturnal Enuresis (bed wetting)

Category: Childcare
08 October, 2016  

Share:  

4solb4h রাতে বিছানায় প্রস্রাব (Nocturnal Enuresis)
৫-৬ বছরের উপরের বাচ্চারা বিছানায় প্রস্রাব করে দেয় অথবা প্রস্রাবের উপর তাদের কোন নিয়ন্ত্রন থাকে না, যা রাতে অথবা দিনে যেকোনো সময় হতে পারে। একে বলা হয় Enuresis।

কারণ সমুহ
বাচ্চাদের প্রস্রাবের উপর সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রন আসতে পারে বিভিন্ন বছর বয়সে। একেক বাচ্চার একেক সময়ে এই নিয়ন্ত্রন আসতে পারে।রাতে বিছানায় প্রস্রাব না করা বাচ্চাদের প্রস্রাবের নিয়ন্ত্রনের সর্বশেষ অবস্থা।যখন ৫ বছরের উপরের বাচ্চারা মাসে ২বারের বেশি বিছানায় প্রস্রাব করে দেয় তবে তাকে বলা হয় bedwetting অথবা nocturnal enuresis বলে।
Bedwetting খুবই স্বাভাবিক। আমেরিকাতে একটি জরিপে দেখা গেছে ৫ লক্ষের অধিক বাচ্চারা রাতে বিছানায় প্রস্রাব করে দেয়। কিছু বাচ্চা ৭ বছরের পরেও বিছানায় প্রস্রাব করতে পারে।তবে ১০ বছরের সময় সেই সংখ্যাটা কমে আসবে।যদিও বয়স বাড়ার সাথে সাথে সমস্যাটা সম্পূর্ণ ভালো হয়ে যায় তবে কিছু বাচ্চা এমনকি কিছু বয়স্কদেরও রাতে বিছানায় প্রস্রাবের সমস্যা থাকতে পারে।
পারিবারিক কারনেও Bedwetting হতে পারে।

দুই ধরনের bedwetting/ enuresis হয়ে থাকেঃ
  • Primary enuresis: বাচ্চা যাদের কখনই লম্বা সময় ধরে এই সমস্যা ছিল না।এটা হতে পারে যদি শরীর রাতের বেলা মুত্রথলির ধারণ ক্ষমতার অতিরিক্ত প্রস্রাব উৎপন্ন করে,ফলে বাচ্চার মস্তিষ্ক তখনও পূর্ণ প্রস্রাবের থলি থেকে আগত signal এর বিপরীতে কাজ করার মত সেভাবে তৈরি হয় না।It is not the child's or the parent's fault.
  • Secondary enuresis: বাচ্চারা যারা শেষ ৬ মাস রাতে বিছানায় প্রস্রাব করে নাই আবার বিছানায় প্রস্রাব করা শুরু করতে পারে।এটা বিভিন্ন কারনে হতে পারে শারীরিক,মানুষিক অথবা বাচ্চাদের ঘুমের অভ্যাস পরিবর্তন হলে।
যদিও শারীরিক কারণ হবার সম্ভাবনা খুবই কম তারপরও lower spinal cord lesions, জন্মগত প্রস্রাবের রাস্তায় সমস্যা, birth defects of the genitourinary tract, প্রস্রাবের রাস্তায় ইনফেকশন, ডায়াবেটিকস এর জন্য এই সমস্যা হতে পারে।

লক্ষন সমুহঃ
মূল লক্ষন হচ্ছে প্রস্রাবের উপর নিয়ন্ত্রন রাখতে না পারা,মুলত রাতের বেলা যা মাসে ন্যূনতম ২বারের অধিক হবে।

পরীক্ষা সমূহঃ
শিশু ডাক্তারকে সমস্যা সম্পর্কে বিস্তারিত জানাতে হবে, বাচ্চার খাদ্দ্য তালিকা সম্পর্কে, তার পানীয় সম্পর্কে, তার সারাদিনের প্রস্রাবের বিবরণ, রাতে কয়দিন পর বিছানায় প্রস্রাব করে তার সম্পরকে এবং তার ঘুমের সম্পর্কে। যার ফলে ডাক্তার রোগের কারণ নির্ধারণ করতে পারবে। শারীরিক পরীক্ষা করে শারীরিক সমস্যা আছে কিনা তা নির্ণয় করা যায়। Urinalysis করে বুঝা যাবে তার প্রস্রাবের রাস্তায় কোন ইনফেকশন অথবা ডায়াবেটিকস আছে কিনা।
X-rays করে জানা যাবে কিডনি বা প্রস্রাবের থলিতে কোন সমস্যা আছে কিনা ।

চিকিৎসাঃ
সাধারণত অভিভাবকগণ কিছু করেন না অথবা বাচ্চাকে শাস্তি দিয়ে থাকেন যাতে কোন ফল পাওয়া যায় না। অবশ্যই বাচ্চাকে বোঝাতে হবে যে এটা একটা সাধারণ ব্যাপার এবং তা অনেক বাচ্চাদেরই হয়ে থাকে।
প্রথমে এটা নিশ্চিত করতে হবে বাচ্চা সারাদিন নিয়মিত বাথরুমে যাচ্ছে, প্রস্রাব অনেকক্ষণ আটকিয়ে রাখছে না এবং রাতে শুতে যাবার আগে নিয়মিত প্রস্রাব করছে।রাতে শোবার আগে পানি পান করা কমিয়ে দেওয়া যেতে পারে অবশ্যই তা পরিমানে বেশি যাতে না হয়,তবে তা একমাত্র চিকিৎসা নয়।
বাচ্চাকে রাতে বিছানায় প্রস্রাব না করার জন্য পুরস্কার দেওয়া যেতে পারে।যা সমস্যা ভালো করতে পারে কোন ঔষধ ব্যবহার না করেই।এই ব্যবস্থাটা ৫ থেকে ৮ বছরের বাচ্চাদের ক্ষেত্রে বেশি ভালো কাজ করে।
কিছু ঔষধ আছে DDAVP (desmopressin) যা রাতে প্রস্রাব উৎপন্ন কমিয়ে দেয়। DDAVP ব্যবহার সহজ এবং কাজ করে তাড়াতাড়ি।ইহা ব্যবহার করা যাবে ১ মাসের জন্য ডাক্তারের পরামর্শ মোতাবেক।
Tricyclic antidepressants (imipramine) ব্যবহার করেও এই সমস্যা থেকে মুক্তি লাভ করা যেতে পারে।তবে অতিরিক্ত এই ঔষধ সেবন জীবনের জন্য ঝুকি হতে পারে।তাই কোন ব্যবস্থা কাজ না করলেই শুধু ঔষধ সেবন ব্যবহার যেতে পারে।

কি কি সমস্যা চিকিৎসা না করলে হতে পারে (Prognosis)
শারীরিক কোন সমস্যা না হলে চিকিৎসার কোন দরকার নাই।শুধু বাচ্চাকে বুঝাতে হবে,তা না হলে বাচ্চা মানুষিক অবশাদ্গ্রস্থ থাকতে পারে এমনকি তার নিজের উপর আস্থা কমে যেতে পারথাক
শারীরিক কারনে এই সমস্যার সৃষ্টি হলে কিছু Complications হতে পারে।তবে মানুষিক সমস্যা সৃষ্টি হবে যদি না সময় মত সঠিক উপায়ে সঠিক কারনের জন্য ব্যবস্থা গ্রহন না নেওয়া হয়।

কখন চিকিৎসকের পরামর্শ নিবেনঃ
যদি আপনার সন্তানের প্রস্রাবের সময় ব্যাথা অনুভুত হলে,জ্বর হলে অথবা প্রস্রাবের সময় রক্ত বের হলে।

প্রতিকারঃ
নিয়মিত ঘুম এবং বাথরুমে যাবার অভ্যাস গরে তুলতে পারলে এবং রাতে শোবার আগে নিয়মিত প্রস্রাব করলে এই সমস্যা থেকে মুক্তি লাভ করা যেতে পারে।

Share:  


© www.ousud.com, All rights reserved.